শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনায় গ্রিন প্লাস ইউনানী ল্যাবরেটরিজে ভোক্তা অধিকার ও ওএনএসআই’র অভিযান: ২০ হাজার টাকা জরিমানা ভাঙ্গুড়ায় টিআর প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক ছয়টি ওয়ার হেড নিয়ে চিন্তিত পাবনা র‍্যাব-১২ এর অভিযানে অস্ত্র সহ গ্রেফতার ১ জন পাবনা জেলা তাঁতী দলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গলাচিপা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ইখতিয়ার রহমান কবির পদযাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও চাঁদামুক্ত করতে সায়দাবাদে মতবিনিময় সভা – এ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপি ঈশ্বরদীতে গভীর রাতে ব্যাবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি, ৬লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিপাকে অভিযোগকারী ৫ পরিবার রাজশাহীতে ভারতীয় মদ, ফেনসিডিল ও কীটনাশক জব্দ

চিটাগাং রোডে মা হাসপাতালে ডাক্তার ফারহানা রোগীর পরীক্ষার রিপোর্ট দেখেও হাতিয়ে নিচ্ছে জনপ্রতি চারশত টাকা

Reading Time: 2 minutes

মাহামুদুল হাসান, নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়নগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোডস্থ হাজী ইব্রাহিম খলিল শপিং কমপ্লেক্স এন্ড প্রিয়ম নিবাসে অবস্থিত মা হাসপাতালে ডাক্তারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।
সুত্রে জানা যায় মা হাসপাতালে ডাক্তার ফারহানা তাবাসসুম রোগী দেখেন সপ্তাহে ৩ দিন বিকেল ৫ টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত। অভিযোগ উঠেছে তাঁর সহকর্মী সহ তিনি রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন না এমনকি সম্মানীত ব্যাক্তিদের সাথে বাজে ব্যবহার করে থাকেন। সম্প্রতি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সমাজকল্যান সম্পাদক সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান সম্রাটের সহধর্মিনী শারিরিক অসুস্থতার জন্য ডাক্তার ফারহানা তাবাসসুম এর কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানে বিশৃংখলা দেখে পরিচয় দিলেও তারা সম্মানহানীকর কথা বলে। পরবর্তিতে ডাক্তারের চিকিৎসা শেষে রোগী সহকর্মিদের কাছে ডাক্তারের মুঠো ফোনের নাম্বার চাইলে সেখানেও তাদের শত নিয়ম শুনতে হয়েছে এবং রোগীকে প্রেসক্রিপশনে দেওয়া কর্তিপক্ষের নাম্বারে পরামর্শ করার জন্য বলা হয়, ঐ নাম্বারটি কোন ডাক্তারের না। পরে বিষয়টি বিল্ডিং এর মালিক আলহাজ্ব হাবিবুল্লা (কাঁচপুরী) সাহেবকে অবগত করেন সাংবাদিক সম্রাট, আলহাজ্ব হাবিবুল্লা (কাঁচপুরী) বিষয়টি অবগত হওয়ার পরে হাসপাতাল কর্তপক্ষের সাথে তিনি কথা বললেও বিষয়টি গুরুত্ব দেননি হাসপাতাল কর্তপক্ষ। এদিকে সাংবাদিকের সহধর্মিনিকে চিকিৎসা শেষে বেশ কিছু ইনভেসটিকেশন দেন ডাক্তার ফারহানা তাবাসসুম পরে একটি ল্যাব হতে পরীক্ষা শেষে ডাক্তারকে রিপোর্ট দেখাতে গেলে সেখানেও ডাক্তারকে চারশত টাকা দিতে হয়। জেলা সিভিল সার্জন সুত্রে জানা যায় রোগী দেখে একজন ডাক্তার ভিজিট নিতে পারবেন, কিন্তু পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে বারতি টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই। প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকরা জাতির বিবেক সেখানে ভালো চিকিৎসার জন্য রোগী তার পরিবারের ব্যাক্তিগত পরিচয় দিতেই পারে কিন্তু জাতির বিবেকদের পরিচয় পাওয়ার পরও অসৎআচারণ করা ভ্রষ্টারের সামিল। ভুক্তভোগীরা মনে করেন ডাক্তাররা রোগীদের সেবা দেওয়ার শপথ নিলেও সেই শপথ কিছু অসাধু ডাক্তারগণ ভঙ্গ করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত তাই তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। ভুক্তিভোগীরা আরো মনে করেন এদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ রোগীরা সেবা থেকে একদিকে বঞ্চিত হবে অন্যদিকে হয়রানীর শিকার হবে। তাই সুশিল সমাজ মনে করেন অতি দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে, তারা বলেন একটি কুচুক্রি মহল তাদের সুনাম নষ্ট করতে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com